Photobazar24
রবিবার / ২৫শে জুন ২০১৭

আন্তর্জাতিক
বিদেশি শ্রমিক নিয়োগে নতুন নীতিমালা হচ্ছে সৌদিতে
বিদেশি শ্রমিক নিয়োগে নতুন নীতিমালা হচ্ছে সৌদিতে

কর্মক্ষেত্রে দেশীয় শ্রমিকদের বেশি পরিমাণে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে বিদেশি শ্রমিকদের ওপর কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপের পরিকল্পনা নিয়েছে সৌদি আরব। বেকারত্বের হার কমিয়ে আনতে কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সৌদি সরকার।

মঙ্গলবার সরকারি একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দেশটিতে বর্তমানে বেকারত্বের হার ১২ দশমিক ১ শতাংশ। ২০২০ সালের মধ্যে এ হার ৯ শতাংশে কমিয়ে আনার মাধ্যমে গত বছর দেশটিতে যে নতুন অর্থনৈতিক সংস্কার আনা হয়েছে তার প্রথম ধাপ অর্জনে এটি সহায়তা করবে।

সৌদি সরকারের এই নতুন পরিকল্পনা দেশটির কোম্পানিগুলোতে কম বেতনে বিদেশি শ্রমিকদের চাকরি ব্যবস্থাকে কঠিন করে তুলতে পারে। এর প্রভাবে দেশটির অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় যে সংস্কার আনা হয়েছে তা বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ঠ অন্যান্য বিভাগে সংকট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

যেমন- উন্নয়নশীল বেসরকারি খাতের ব্যবসা-বাণিজ্য ও তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসার যে পরিকল্পনা আছে তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এসব সেক্টরে স্বল্প বেতনে বিদেশি শ্রমিকরা কাজ করছে।

নতুন এ আইন দেশটিতে কর্মরত এক কোটি ২০ লাখ বিদেশি শ্রমিকের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। এদের অনেকেই প্রায় ২ কোটি সৌদি নাগরিকের পরিত্যাজ্য কঠোর শ্রমসাধ্য, ঝুঁকিপূর্ণ কাজ অত্যন্ত স্বল্প বেতনে করছেন। সৌদি কর্মীদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেয়া হয়।

২০১১ সাল সৌদি সরকার নিতাকাত নামে নতুন একটি কর্মসূচির উদ্বোধন করে। এতে কর্মক্ষেত্রে সৌদি নাগরিকদের অনুপাতের ওপর কোম্পানিগুলোর বিভিন্ন গ্রেডে বিভক্ত করা হয়। উচ্চ গ্রেডপ্রাপ্ত কোম্পানিগুলোকে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগে ভিসা বা লাইসেন্স সংক্রান্ত কাজের সময় অগ্রাধিকার দেয়া হয়। দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের এই কর্মসূচির আওতায় কোনো কোম্পানি নিম্ন গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত হলে তাদের জরিমানা গুণতে হয়।

নতুন এই শ্রম নীতি অনুযায়ী, ৫০০ থেকে দুই হাজার ৯৯৯ শ্রমিক বিশিষ্ট নির্মাণ খাতের প্রতিষ্ঠানে একশ ভাগ সৌদি শ্রমিক নিযুক্ত করা হলে; ওই প্রতিষ্ঠান প্লাটিনাম ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত হবে। যদি ১০ শতাংশ সৌদি নাগরিককে নিয়োগ দেয়া হয় তাহলে ‘লোয়ার গ্রিন’ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত হবে। বর্তমানে বিদ্যমান নীতিমালায় কোনো কোম্পানিতে ১৬ শতাংশ সৌদি কর্মরত থাকলে প্লাটিনাম এবং ৬ শতাংশ থাকলে লোয়ার গ্রিনের আওতায় পড়ছে।

দেশটির খুচরা সেক্টরের ৩৫ শতাংশ কোম্পানি প্লাটিনাম ক্যাটাগরির ও ২৪ শতাংশ লোয়ার গ্রিনের অন্তর্ভুক্ত। সৌদি আরবের অন্যান্য সেক্টরেও একই ধরনের নীতিমালা প্রয়োগ করা হবে। নতুন এই কঠোর নীতি দেশটির শ্রমমন্ত্রী আলি বিন নাসের আল-গাফিস অনুমোদন দিয়েছেন। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকারি ঘোষণা না আসায় পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে দেশটির একটি সূত্র বলছে, আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন এই নীতিমালা কার্যকর হবে।

ভাস্কর্য পুণঃনির্মাণে সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশ ১০০ মিলিয়ন ডলার তহবিল গঠন
ভাস্কর্য পুণঃনির্মাণে সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশ ১০০ মিলিয়ন ডলার তহবিল গঠন

বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও  ধ্বংস করে দেয়া ঐতিহাসিক  ভাস্কর্য পুণনির্মাণে ১০০ মিলিয়ন ডলারের  তহবিল গঠন করা হয়েছে।  গত রোববার  ফ্রান্সের  ল্যুঁভর মিউজিয়ামে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয়া হয়। সম্মেলন শেষে  ফ্রান্সের  প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদ বলেন, শুধুমাত্র ঐতিহ্যবাহী ভাস্কর্যগুলো নির্মাণই নয়, এই তহবিল থেকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যও অর্থ ব্যয় করা হবে।  ঐতিহ্য রক্ষা ও পুর্ণনির্মান তহবিলে সৌদি আরব ৩০ মিলিয়ন, ফ্রন্স  ৩০ মিলিয়ন, আরব আমিরাত ১৫ মিলিয়ন, কুয়েত ৫ মিলিয়ন, লুক্সেমবার্গ ৩ মিলিয়ন এবং মরোক্কো দেড় মিলিয়ন ডলার দান করেছে।


প্রাথমিকভাবে পালমিরা ও ইরাকে  আইসিস যেসব ভাস্কর্য ধ্বংস করেছে সেগুলো পুণনির্মানে ব্যয় করা হবে। পরে এই তহবিলে আরো অর্থ দেয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দাতা দেশগুলো।
সূত্র: আল আরাবিয়া

নামাজ পড়াকালীন সময়ে সিরিয়ায় মসজিদে বিমান হামলা, নিহত ৪২
নামাজ পড়াকালীন সময়ে সিরিয়ায় মসজিদে বিমান হামলা, নিহত ৪২

ফটোবাজার : নামাজ আদায়কালে সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত একটি গ্রাম আল-জিনা এলাকায় মসজিদে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

এই হামলার ঘটনায় অন্তত ৪২জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আহত হয়েছেন আরো অনেকে। তবে ঠিক কারা এই হামালা চালিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়। দামেস্কের আদালত প্রাঙ্গণে আত্মঘাতী হামলায় ৩১ জন নিহত হওয়ার একদিন পরই এ হামলা হলো।


বৃহস্পতিবার ১৬ মার্চ এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানেিয়ছে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এবং অন্য মানবাধিকারকর্মীদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।


তবে ইদলিব প্রেস সেন্টারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছে। বিমান হামলাটি ঠিক কারা চালিয়েছে সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ওই অঞ্চলটিতে রাশিয়া ও সিরিয়ার যুদ্ধ জাহাজকে টহল দিতে দেখা যায়। ওই এলাকায় বিদ্রোহী ঘাঁটি লক্ষ্য করে মার্কিন বাহিনীও বিমান হামলা চালিয়ে থাকে।


সিরিয়ান অবজারভেটরি জানায়, বৃহস্পতিবার আলেপ্পোর আতারিবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-জিনা এলাকায় ওই বিমান হামলা হয়। সেসময় ৪২ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি অনেকে আহত হয়। স্থানীয় মানবাধিকারকর্মীদের দাবি, বিমান হামলা চলার সময় হাসপাতালের ভেতর ৩শ মানুষ ছিলেন।


সিরিয়ান অবজারভেটরির প্রধান রামি আবদেল রহমান বলেন, নিহতদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক। সংবাদ সংস্থা ডিপিএ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রামি আরও জানান, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।


উল্লেখ্য, সিরিয়ায় ৬ বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলমান আছে। এ সময়ের মধ্যে ৩ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ঘরহারা হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ



সর্বশেষ খবর