Photobazar24
মঙ্গলবার / ২২শে অগাস্ট ২০১৭

অফিসআদালত
 গ্রেনেড হামলা মামলায় রাষ্ট্রপতির কাছে মুফতি হান্নানের প্রাণভিক্ষার আবেদন
গ্রেনেড হামলা মামলায় রাষ্ট্রপতির কাছে মুফতি হান্নানের প্রাণভিক্ষার আবেদন

ফটোবাজার ; রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন মৃত্যুদ- পাওয়া হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আবদুল হান্নান। ২০০৪ সালে সিলেটে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা মামলায় এই জঙ্গিনেতা ও তার দুই সহযোগীর ফাঁসির চূড়ান্ত আদেশ দিয়েছিল আপিল বিভাগ।


সোমবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দী মুফতি হান্নান রাষ্ট্রপতির কাছে এই আবেদন করেন বলে জানিয়েছেন জেল সুপার মিজানুর রহমান। এখন রাষ্ট্রপতি তার আবেদন মঞ্জুর করে অন্য কোনো সাজা বা এই দায় থেকে মুক্তি দিতে পারেন। আর তিনি তা অগ্রাহ্য করলেই মুফতি হান্নান ও তার দুই সহযোগীর দ- কার্যকর হবে।


মৃত্যুদ-ের রায়ের বিরুদ্ধে আসামির রিভিউ আবেদন খারিজ হয় ১৯ মার্চ। পরদিন মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনানো হয় তাদেরকে। আর সেদিনই রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদনের কথা জানান তারা।


কারা মহাপরিদর্শক ইফতেখার উদ্দীন আহমেদ পরদিন জানিয়েছিলেন, এই আবেদন করতে তিন আসামি সাত দিন সময় পাবেন। আর সাত দিন পর সকালে সিলেট কারাগারে বন্দী মুফতি হান্নানের এক সহযোগী রিপন রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চান।


কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আবেদন করেন মুফতি হান্নানও। তবে তখনও তার আরেক সহযোগী বিপুল এই আবেদন করেননি।
তবে আবেদনে মুফতি হান্নান কী লিখেছেন, সে বিষয়ে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের জেল সুপার মিজানুর রহমান কিছু বলেননি।

পাকিস্তানি সেনা শহীদুল্লাহর বিরুদ্ধে প্রতিবেদন চূড়ান্ত
পাকিস্তানি সেনা শহীদুল্লাহর বিরুদ্ধে প্রতিবেদন চূড়ান্ত

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাবেক এক সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়েছে। মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ নামে সাবেক ওই বাঙালি ক্যাপ্টেনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।
মঙ্গলবার ঢাকার ধানমন্ডিতে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবেদনে বিভিন্ন তথ্য জানানো হয়। তার বিরুদ্ধে অপহরণ, নির্যাতন, লুটপাট-অগ্নিসংযোগ ও হত্যার মতো তিন ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হচ্ছে।
এ মামলার আসামি শহীদুল্লাহর বয়স ৭৫ বছর। তার বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার আমিরাবাদ গ্রামে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ওই এলাকাতেই তিনি যুদ্ধাপরাধ ঘটান বলে তদন্তকারীরা জানান।

সেন্টমার্টিন্সে স্থাপনা অপসারণ: চার সচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল
সেন্টমার্টিন্সে স্থাপনা অপসারণ: চার সচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিন্স দ্বীপে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া স্থাপনা ভাঙার বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ না হওয়ায় চার সচিবসহ ১১ জনের প্রতি আদালত অবমাননার রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার কার্যক্রম শুরু করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক আবেদনের শুনানি নিয়ে এ রুল দেন। গত রবিবার এ আবেদনটি করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)।
যে ১১ জনের বিরুদ্ধে রুল দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন- পরিবেশ ও বন সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব, নৌ পরিবহন সচিব, পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ও সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
আদালতে এদিন ওই আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী ও সাইদ আহমেদ কবির।
পরে আইনজীবী সাইদ আহমেদ কবির সাংবাদিকদের বলেন, ২০০৭ সালে কোস্টাল অ্যান্ড ওয়েটল্যান্ড বায়োডারভার্সিটি ম্যানেজম্যান্ট প্রোজেক্টের (সিডব্লিউবিএমপি) এক জরিপে দেখা যায়, সেন্টমার্টিন্সে ৭৪টি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। ওই জরিপের প্রেক্ষিতে এসব অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশনা চেয়ে বেলার পক্ষ থেকে ২০০৯ সালে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়। সেই রিটের শুনানি শেষে ২০১১ সালের ২৪ অক্টেবার আদালত রায় দেয়। রায়ে সেন্টমার্টিন্সের পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ছাড়পত্রহীন স্থাপনা অপসারণ করতে বলা হয়। সেইসঙ্গে ছাড়পত্রহীন নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণ না করা ও বিরল প্রজাতির প্রাণী সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়ারও নির্দেশ আসে হাইকোর্টের ওই রায়ে।
আদালতের এ নির্দেশনা থাকার পরও সেন্ট মার্টিনসে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকায় থাকা হোটেল, মোটেলসহ অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়নি, বরং এসব স্থাপনার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে জানিয়ে বেলার পক্ষ থেকে দুই দিন আগে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার এই আবেদন করা হয় বলে জানান আইনজীবী সাইদ।

এনআইডি অনুবিভাগকে অধিদপ্তর করার প্রস্তাব আসছে
এনআইডি অনুবিভাগকে অধিদপ্তর করার প্রস্তাব আসছে

ফটোবাজার ; জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন (এনআইডি) অনুবিভাগের কর্ম পরিধি বাড়ায় এটিকে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অধিদপ্তরে রূপান্তর করার প্রস্তাব উঠছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। পাশাপাশি জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে জনবল বৃদ্ধির নতুন বিধিমালা সংশোধন করার প্রস্তাবও দেওয়া হচ্ছে কমিশনে। এনআইডি অনুবিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।


সূত্র জানায়, বর্তমানে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে ১৮টি ক্যাটাগরিতে পদের সংখ্যা ৭১টি। এর মধ্যে কর্মরত আছে ৩৬ জন। শুন্য পদ ৩৫টি। এছাড়া জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের অধীনে প্রকল্পের ২০০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী কর্মরত রয়েছে। সারাদেশে পরিচয়পত্র বিতরণের জন্য এই জনবল খুবই কম হওয়ায় এ বিভাগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল বাড়ানোর জন্য প্রস্তাব করা হচ্ছে।
 
এনআইডি উইংয়ের নতুন প্রস্তাবনায় ২৮টি ক্যাটাগরিতে মোট ৪৮৯টি পদ রাখার কথা ‍উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে মহাপরিচালক পদ একটি, অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদ ৫টি (নতুন), পরিচালক পদ ১০টি যা আগে ছিল ২টি, উপ-পরিচালক পদ-২১টি যা আগে ছিল ৪টি, সহকারী পরিচালক ৪০টি যা আগে ছিল ৮টি, সিস্টেম ম্যানেজার ১টি, প্রিন্সিপাল মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার পদ ২টি (নতুন), সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট পদ ১টি (নতুন), সিস্টেম এনালিস্ট পদ ২টি, প্রোগ্রামার পদ ৪টি যা আগে ছিল ৩টি, মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার পদ ৪টি যা আগে ছিল ১টি, সহকারি প্রোগ্রামার পদ ৮টি যা আগে ছিল ৬টি, মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার পদ ৮টি যা আগে ছিল ১টি, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা ১টি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদ ৬৭টি (নতুন), ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পদ ১৯টি (নতুন), ফটোগ্রাফার পদ ২টি, হিসাব সহকারি পদ ২টি, ক্যাশ সরকার পদ ১টি (নতুন), অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর পদ ৭২টি যা আগে ছিল ১৪টি, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদ ১০৮টি যা আগে ছিল ৮টি, ডেসপাচ রাইডার ২ জন (নতুন), এইচপিআর (হেলপার অব প্রিন্টিং) পদ ২টি, ড্রাইভার পদ ৩৪টি যা আগে ছিল ৫টি, পরিচ্ছন্নতা কর্মী (সাবেক ঝাড়ুদার) ৬টি নতুন এবং নিরাপত্তা কর্মী (সাবেক নৈশ প্রহরী) পদ ৮টি (নতুন)।
এ বিষয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কমিউনিকেশন অফিসার মো. আশিকুর রহমান পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগকে অধিদপ্তরে রূপান্তর করার একটা প্রস্তাবনা আছে। এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।বিষয়টি খুবই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। তবে এটা কিন্তু প্রোজেক্ট নয়, এনআইডির বিষয়। আর উপজেলা অফিসারদের নিয়ে যে অর্গানোগ্রামটা করা হয়েছিল সেটি ২০০৫ সালের। আর এরা আসলে কাজ করতো শুধু নির্বাচন নিয়ে। জাতীয় পরিচয়পত্র আসার পর থেকে কাজের ভলিউমটা অনেক বাড়ছে। সেখানে ভোটার তালিকা করা, নির্বাচন করাসহ নানা কাজ রয়েছে। বর্তমানে যা করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাই এটাকে একটি কাঠামোর মধ্যে আনার একটা পরিকল্পনা চলছে।
তবে অধিদপ্তর হলেও এটি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীনেই থাকবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।
এনআইডি অনুবিভাগ সূত্রে জানা যায়, আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যান্সিং এক্সেস টু সার্ভিস’ (আইডিইএ) প্রকল্পের আওতায় আগামী জুনের মধ্যে সাড়ে নয় কোটি নাগরিকের হাতে স্মার্টকার্ড পৌঁছে দেয়ার কথা রয়েছে। যা নির্ধারিত সময়ে করা সম্ভব নয়। দেশের নাগরিকদের ভোগান্তি দূর করতে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ থেকে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অধিদপ্তরে করার জন্য একটি প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে।
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, এক সময় জাতীয় পরিচয়পত্র মানুষ নিতে চাইতো না। এখন দেশের সকল নাগরিক এ কার্ড নিতে চায়। জনগণের চাহিদার তুলনায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে জনবল খুবই। পরিচয় পত্র নিতে এসে অনেক মানুষকে হয়রানি হতেই হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আগামীতে দেশের নাগরিকদের যাতে কোন হয়রানি হতে না হয় সেজন্য অধিদপ্তর করার প্রয়োজন।
এ কর্মকর্তা আরো বলেন, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগকে অধিদপ্তর করা হলে দেশের মানুষ সুযোগ সুবিধা পাবে। এতে করে হয়রানি দূর হবে। এখন এটি প্রকল্প দিয়ে চলছে। প্রকল্প শেষ হলে আবার নতুন লোক আসে। আবার যখন বরাদ্দ হয় তখন প্রকল্পের কাজ শরু হয়। প্রকল্পের চেয়ে একটি স্থায়ী সমাধান করা ভাল।
নির্বাচন কমিশন সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, প্রস্তাবনাটি এখনো আমার কাছে আসেনি। আসলে বলতে পারবো।



সর্বশেষ খবর